শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমীতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সনাতন ধর্মমতে, কুমারী হচ্ছে শুদ্ধতার প্রতীক। দেবীদুর্গার আরেক নাম কুমারী। এ পূজার মাধ্যমে স্বয়ং মা দুর্গা মানুষের ভেতরে বিকশিত হন। তাই শঙ্খ, ঘণ্টা আর উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দুর্গা দেবীকে কুমারী রূপে অর্ঘ্য দেওয়া হয়।
যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনে বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কুমারী পূজা। এ বছর কুমারী হিসেবে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া গ্রামের উজ্জ্বল ব্যানার্জির মেয়ে মালিনি ব্যানার্জিকে পূজা করেছেন ভক্তরা।
কুমারী মালিনির বাবা উজ্জ্বল ব্যানার্জি জানান, তিনি রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। যে কারণে মিশনের কার্যক্রমের প্রতি তার দুর্বলতা রয়েছে। গতবছর তার মেয়েকে কুমারী হিসেবে মনোনীত করা হলেও বয়সের কারণে পূজা করা হয়নি। এবছর আবার তাকে মনোনীত করা হয়েছে। এ জন্য তিনি গর্বিত এবং পূজা সম্পন্ন করতে পেরে খুশিও হয়েছেন।
পূজা করতে আসা ভক্তরা জানান, কুমারীর মধ্যে দেবী দুর্গার স্বরূপ রয়েছে। যে কারণে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়েছে। এ পূজা করতে একটি বছর তারা অধির আগ্রহে থাকেন। তাই পূজা করতে পেরে আনন্দিত।
এদিকে, রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশ আনন্দ মহারাজ বলেন, প্রতিটি নারীর মধ্যে দেবী মা দুর্গা বিদ্যমান। নারীরা কেবল ভোগের নয়, শ্রদ্ধারও। সে উপলদ্ধি জাগ্রত করতেই এ কুমারী পূজা।
সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে পারায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করেন মন্দিরের পুরোহিতরা।








