ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ড থেকে শিশু বদলের অভিযোগে কোতোয়ালী থানায় মানব পাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম জানান, নবজাতক ওয়ার্ডে ছেলে শিশু বদলের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূরে আলম জানান, হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনাসহ শিশুর ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. লহ্মী নারায়ণ মজুমদার জানান, এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলা সদরের বাদেকল্পা গ্রামের মনোয়ার হোসেন মনুর স্ত্রী পাপিয়া গত ১০ ডিসেম্বর বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি লেবার ওয়ার্ডে সন্তান প্রসব করেন। এ সময় বলা হয় শিশুটি ছেলে। শ্বাসকষ্ট এবং কান্না না করায় ওই দিনই নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে। ১৮ ডিসেম্বর বিকালে ছুটি দেওয়ার সময় তাদের হাতে মেয়ে শিশু তুলে দিতে গেলে বিপত্তি বাধে। ছেলে শিশুর দাবিদার ওই নারীর স্বজনেরা হাসপাতালের নবজাতকের ওয়ার্ড এবং ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেনের প্রাইভেট চেম্বারের সামনে বিক্ষোভসহ ঘেরাও করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।







