জামালপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থী একজন ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় যুবলীগ নেতা ছাব্বির হোসেন আকন্দ সেতুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। জেলা যুবলীগ ও পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নে ২৬ জানুয়ারি রাতে ওয়াজ শুনতে গিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ওই এসএসসি পরীক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা রবিবার (২৮ জানুয়ারি) জামালপুর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় কেন্দুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি ছাব্বির হোসেন আকন্দ সেতুসহ (২৩) আরও চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারহান আহমেদ বলেন, ‘ছাব্বির হোসেন আকন্দ সেতু নারী নির্যাতনের ঘটনায় নিজেকে জড়িয়ে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই তাকে যুবলীগ থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কেনও দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- তার ব্যাখ্যা চেয়ে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।’
এদিকে এ ঘটনায় এখনও কোনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছিমুল ইসলাম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের দেওয়ানিপাড়া মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল শুনতে গিয়ে ওই ছাত্রী অপহরণ হয়ে ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে যুবলীগ নেতা ছাব্বির হোসেন আকন্দ সেতুসহ পাঁচ ব্যক্তিকে আসামি করে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর চিকিৎসা চলছে।







