গোপালগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও বহিরাগতদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ জনকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় কয়েকটি দোকান ও দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র ও পাশের গোবরা গ্রামের বহিরাগত যুবকরা ফুটবল খেলেন। এর এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। পরে ছাত্ররা ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে গেলে স্থানীয় বহিরাগতরা কয়েকজন ছাত্রকে মারধর করেন। এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্ররা একত্রিত হয়ে সোবহান সড়কে কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে স্থানীয় গোবরা গ্রামের লোকজন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেইন ফটকে অবস্থান নিয়ে ছাত্রদের মারধর করেন। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উভয় পক্ষে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান,তারা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম রাবার বুলেট নিক্ষেপের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন শান্ত। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’







