করোনা: যশোর থেকে একজনের নমুনা যাচ্ছে আইইডিসিআর-এ

Send
যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৪:৫৯, মার্চ ২৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৫৯, মার্চ ২৫, ২০২০

যশোর জেনারেল হাসপাতাল

করোনা সন্দেহে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে। ইতোমধ্যে পুরুষ রোগীর নমুনা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে আউটডোরে সাধারণ রোগীর উপস্থিতি খুবই কমেছে।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা বহুগুণে কমেছে। আউটডোর, জরুরি বিভাগ, সার্জারি, মেডিসিন, অর্থোপেডিক ও রোগীদের ওয়ার্ডগুলো একেবারে ফাঁকা বললেই চলে। অথচ সপ্তাহখানেক আগেও রোগী এবং তাদের স্বজনদের ভিড় লেগেই থাকতো।

তবে রোগীর সংখ্যা কম হওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায়। তিনি বলছেন, ‘এটি খারাপ লক্ষণ নয়। সরকার চাইছে মানুষ ঘরের মধ্যে থাকুক। আর আমরা বলেছি, ছোটখাটো অসুখ বাড়িতে বসেই চিকিৎসা করানোর জন্যে।’

হাসপাতালের আউটডোর টিকিট কাউন্টার ইনচার্জ মফিজুর রহমান বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ২২শ' থেকে ২৮শ' টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। ২৪ মার্চ টিকিট বিক্রি হয় ৬২১টি। বুধবার সকালে টিকিট বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬৭টি।’

হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কাউন্টারে কর্মরত ব্রাদার মোহাম্মদ মোফাজ্জেল হোসেন জানান, এক সপ্তাহ আগেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীর সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছিল। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৮ জন। আর প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে ৮ জন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার এম আব্দুর রশিদ বলেন, ‘পার্সোনাল প্রটেকশনের কারণে মানুষ বাসার মধ্যেই রয়েছেন। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছেন না। এজন্য হাসপাতাল, সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে।’

জানতে চাইলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ বলেন, ‘গত ২২ মার্চ হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা ছিল ১৬শ'। তার মধ্যে ফ্লু কর্নারে ছিল ১১৪ জন। ২৩ মার্চ রোগীর সংখ্যা ছিল ১২শ, ফ্লু কর্নারে ছিল ৫৮ জন।’

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, ‘আমরা চাইছি, সাধারণ রোগীরা টেলিচিকিৎসা গ্রহণ করুন। যে রোগীর তিন মাস পর অপারেশন করলে চলবে, তাকে অপেক্ষা করতে বলেছি। এখন প্রায়োরিটি দিচ্ছি করোনা আর ডেঙ্গু চিকিৎসায়।’ 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ
X