কারাগার থেকে পরিবারে সঙ্গে কথা বলার সুযোগ

Send
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১:৪৪, মার্চ ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৪, মার্চ ২৮, ২০২০

বগুড়া

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বগুড়া জেলা কারাগার দীর্ঘমেয়াদে থাকা বন্দিদের। ইতোমধ্যে দুই দিনে ১১৭ জন বন্দি ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তরা এই সুযোগ পাচ্ছেন না। জেল সুপারিনটেনডেন্ট সাঈদ হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবার উদ্বোধন করেছেন।

জেলার শরিফুল ইসলাম জানান, ‘স্বজনের সাথে সংশোধনের পথে’ স্লোগান সামনে নিয়ে টেলিফোনে কথা বলার এই কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বজন পরিবারের বন্ধন’। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ইচ্ছা থাকলেও দীর্ঘদিন জেলে থাকা বন্দি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে আসতে পারেন না। এই কার্যক্রম চালু হওয়ায় শুধু কয়েদি ও হাজতিরা নন, তাদের পরিবারের সদস্যরাও খুশি। একইভাবে বগুড়া জেলার বাইরে থেকে আসা বন্দিরাও ফোনে তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

জেলার আরও জানান, কারাগারের ভেতরে ফোন বুথ স্থাপন করা হয়েছে। যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিসহ ১১৭ বন্দি তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ পান। তবে কোনও বন্দি বুথে গিয়ে সরাসরি কল করতে পারবেন না।

জেল সুপার সাঈদ হোসেন জানান, বন্দিরা কারাগার থেকে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে পারলে তাদের পারিবারিক যোগাযোগ ঠিক থাকবে। তবে শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য, ধর্ষণ, অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলায় অভিযুক্তরা ফোনে কথা বলার সুযোগ পাবেন না। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের প্রতিটি কল রেকর্ড করা হবে। এছাড়া বুথে কারারক্ষী নিয়োজিত থাকবে।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত পাঁচ মিনিটের জন্য পাঁচ টাকা করে নেওয়া হবে। পিসির মাধ্যমে বন্দিদের পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠানো টাকা থেকে টেলিফোন বিল কেটে নেওয়া হবে।

জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের (এটুআই) সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড ও বাংলাদেশ জেলের সহায়তায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় বন্দিরা (হাজতি ও কয়েদি) কারাগারে আসার পর তাদের কাছ থেকে স্বজনদের দুটি মোবাইল ফোন নম্বর রাখা হবে। একজন বন্দি প্রতি সপ্তাহে একবার পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন। কথা বলার ক্ষেত্রে নারী, বৃদ্ধ ও বন্দিদের সাথে আসা শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ