ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার

Send
ফরিদপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত : ০১:০৯, আগস্ট ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৪১, অক্টোবর ১৪, ২০২০

 

ছবি (বাম দিক থেকে) সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামপুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ থাকায় ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও ‘সংগঠনের নীতি আদর্শ ও শৃংখলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায়’ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।

শনিবার (২২ আগস্ট) কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের প্যাডে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংগঠনের নীতি আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাএণ্ড জড়িত থাকায় নিশান মাহমুদ শামীম (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) ও মো. সাইফুল ইসলাম জীবনকে (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) ছাত্রলীগ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হল।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ মে রাতে ফরিদপুর শহরের মোল্লা বাড়ি সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুবল সাহা গত ১৬ মে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৭ জুন পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওই মামলার আসামি হিসেবে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পর গত ২৬ জুন ঢাকার কাফরুল থানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে বরকত ও রুবেলকে আসামি করে দুই হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডালিংয়ের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গত বৃহস্পতিবার ঢাকার উত্তরা এলাকার ১২ নম্বর সেক্টর থেকে গ্রেফতার করা হয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীমকে।

এছাড়া ফরিদপুর পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলার মামলার আসামি হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। সাইফুল বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, রুবেল ও বরকত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ‘যাদের আশ্রয়, প্রশ্রয়ে থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন’ তাদের সবার নাম উল্লেখ করেছেন। ওই জবানবন্দির আলোকে মানি লন্ডারিং মামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

আরও পড়ুন:
দুই হাজার কোটি টাকা পাচার: জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিমান্ডে

 

/টিটি/

লাইভ

টপ