গলাচিপায় গর্তে আটকে গেছে দুটি ট্রাক, দু’দিন ধরে যান চলাচল বন্ধ

Send
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশিত : ১৯:৫৭, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৬, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০

গলাচিপার মুসুরিকাঠি এলাকার সড়কে দুপাশে ফেঁসে গেছে দুটি ট্রাক। 
পটুয়াখালী-গলাচিপা সড়কের মুসুরিকাটি নামক স্থানে ডানেও গর্ত, বামেও গর্ত। তার ওপর ভারী বৃষ্টিপাত চলছে দুদিন ধরে। দেখতে না পাওয়ায় রবিবার এমন একটি গর্তে পড়েছে পাথর বোঝাই ট্রাক, সোমবার অন্য গর্তে পড়ে রড বোঝাই আরেকটি ট্রাক। কোনোটাই সরাতে না পারায় গত দুইদিন ধরে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ওই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী-গলাচিপা সড়কের মুসুরিকাটি নামক স্থানে সড়কের পূবদিকের একটি গর্তে পাথর বোঝাই একটি ট্রাক আটকে যায়। সোমবার সকালে এটির পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় রড বোঝাই আরেকটি ট্রাক আটকে যায়। এ কারণে ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সড়কের গর্তে ট্রাক দুটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে পটুয়াখালী জেলা শহরের সঙ্গে গলাচিপা উপজেলার টানা দুইদিন ধরে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে শতাধিক যানবাহন সড়কের দুই পাশে আটকা পড়ে গেছে।

যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হন পথচারীরা।

এদিকে পরিবহন শ্রমিকদের দাবি মুসুরিকাটি জলকপাটের কাজ দ্রুত শেষ করে সড়ক সংস্কার করার।

গলাচিপাগামী ট্রাকচালক মো. আলামিন বলেন, সড়কের এই জায়গাটুকু খানাখন্দ। সড়কে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় বোঝ যায় না কোন জায়গায় খানাখন্দ। এ কারণে এই সমস্যায় পড়তে হয়েছে।

গলাচিপার বাসিন্দা খাদিজা বেগম বলেন, আমি ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছি বরিশাল। বাস না থাকায় বৃষ্টি-বর্ষার মধ্য কী যে দুর্ভোগে পড়েছি আল্লাহ্‌ জানেন। ভেঙে ভেঙে ইজিবাইকে যাচ্ছি , ভাড়া গুনতে হয়েছে তিনগুণ। তাছাড়া আমি সময়মতো পৌঁছাইতে পারবো না।

পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির সেক্রেটারি দুলু মৃধা বলেন, কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে সড়কের এই অবস্থা। সময়মত খানাখন্দ মেরামত করলে সড়কে গড়ি আটকে যেত না।

আমখোলা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মনির বলেন, পটুয়াখালী -গলাচিপা সড়কের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই কিন্তু ওই জায়গায় জলকপাটের নির্মাণ কাজ চলছে যার জন্য সড়কের কিছু অংশের সংস্কার করা হয়নি। ওই জায়গায় প্রায়ই গাড়ি আটকে যায়।

এ বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের  নির্বাহী প্রকৌশলীর মোবাইলে একাধিক বার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

 

 

/টিএন/

লাইভ

টপ
X