পারিবারিক কলহের জেরে ঘরে দেওয়া আগুনে পুড়ে মরলো সৎমা

Send
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:৪৪, অক্টোবর ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৫, অক্টোবর ১৯, ২০২০




নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের রামহরিতালুক গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অগ্নিসংযোগকারীসহ পাঁচ জন দগ্ধ হন। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সৎমা আসমা বেগম, অগ্নিসংযোগকারী কামাল উদ্দিন ও তারেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আসমা বেগমের মৃত্যু হয়।

অগ্নিদগ্ধরা হলেন, অগ্নিসংযোগকারী কামাল উদ্দিন, তার সৎমা আসমা বেগম, প্রতিবেশী তারেক, সুমন ও মান্না।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রামহরিতালুক গ্রামের ইসমাইল হোসেন তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর আসমা বেগমকে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রীর ঘরে ইসমাইলের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে ইসমাইলের প্রথম স্ত্রীর ছেলে-মেয়েদের বনিবনা না হওয়ায় কিছুদিন আগে তারা বাড়ি ছেড়ে যায়। সোমবার ইসমাইলের বড় ছেলে কামাল উদ্দিন বর্তমান বাড়িতে গিয়ে সৎমায়ের সঙ্গে ঝগড়া করেন। এক পর্যায়ে কামাল রাগান্বিত হয়ে ঘরের একটি কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে, সৎমা আসমা বেগম, অগ্নিসংযোগকারী কামাল উদ্দিন, প্রতিবেশী তারেক, সুমন ও মান্না অগ্নিদগ্ধ হন।

 তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আসমা, কামাল ও তারেকের অবস্থা অবনতি হতে থাকলে, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসমা বেগমের মৃত্যু হয়। সুমন ও মান্না নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া আসমা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসমা বেগম মারা যান। এ ঘটনায় অগ্নিসংযোগকারী কামালের শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।

 

/টিটি/

লাইভ

টপ