‘কাপ্তাই হ্রদকে মৎস্য ভাণ্ডারে পরিণত করা হবে’

Send
রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৭:২৫, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৫, অক্টোবর ৩১, ২০২০

শ ম রেজাউল করিমকাপ্তাই হ্রদের ঐতিহ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘কাপ্তাহ হৃদে মৎস্য উৎপাদনে যেসব বাধা রয়েছে তা দূর করা হবে। মা মাছ ও ছোট মাছ ধ্বংসে যেসব জাল ব্যবহার করা হয়, সেসব জাল ব্যবহার করা যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান কঠোর। সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাপ্তাই হ্রদকে মৎস্য ভাণ্ডারে পরিণত করতে কাজ চলছে।’

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটির বিএফডিসি কার্যালয়ে কাপ্তাই হ্রদে বিএফডিসি কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালক ড. ইয়াছিন মাহমুদ, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, ‘অপার সম্ভাবনা থাকার পরও কাপ্তাই লেকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় মাছ আহরণে লক্ষ্যমাত্র পূরণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা সবিষয়গুলো যেনে নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাজ করবো এবং জাল ব্যবহারের নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। যাতে জালে মাছের পোনা ধ্বংস হয়ে না যায়।’

সভায় জেলা মৎস্য অফিস ও মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র থেকে কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ এবং এর সমাধানের উপায়গুলো অবহিত করা হয়। সেখানে দুটি প্রতিষ্ঠান কেচকি জাল বা জিরো গিয়ারের জাল ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি করেন। কেচকি জাল বা জিরো গিয়ারের জাল ব্যবহারের ফলে কার্প জাতীয় মাছ ধংসের পথে। কাপ্তাই হ্রদের মাছের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে অবশ্যই মাছের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো আরও বিকশিত করতে হবে বলে সভায় বলা হয়।

সভা শেষে মন্ত্রী ও সচিব অবতরণ ঘাট এবং জেলা মৎস্য অফিস ও মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন ও সভা করেন।

/আইএ/

লাইভ

টপ