প্রখর রোদ ও তাপদাহ থেকে নিষ্কৃতি পেতে আগামী ২৮ এপ্রিল ‘এস্তেস্কার’ নামাজের আয়োজন করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন।
মঙ্গলবার বেলা ৩টা ৫৩ মিনিটে গণমাধ্যমের ইমেইলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ’র রহমত কামনার জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আগামী ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় নগরীর শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ‘এস্তেস্কার’ নামাজের আয়োজন করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সিটি মেয়র নিযাম উল আযীম নামাজে অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন বলেন, রাজশাহীতে সবশেষ ৬ এপ্রিল ৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল ৩৫ দশমিক ২ মিলিমিটার, ৩ এপ্রিল ১০২ মিলিমিটার ও ১ এপ্রিল ২৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৩ এপ্রিল এই মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, তাপদাহে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষ বেশি বিপাকে পড়েছেন। কাজের সন্ধানে বের হলেও অনেকে কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কারণ একটাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কাজ কম হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কমে গেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। গরমে নাগরিক জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন
প্রচণ্ড তাপদাহে পুড়ছে বরেন্দ্র অঞ্চল। রোদ আর খরার কারণে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। আমের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাগান মালিকসহ ব্যবসায়ীরা।
বাঘা উপজেলার আম ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, চলতি বছর আম গাছে প্রচুর মুকুল এসেছিল। লাভের আশায় উচ্চ মূল্যে আম বাগান কিনেছিলাম। কিন্তু অসময়ে বৃষ্টি আর ঘন কুয়াশা আমের ক্ষতি করে। এরপর যা ছিল তা যখন বড় হতে চলেছে তখন প্রচণ্ড রোদ আর খরার কারণে গাছ থেকে গুটি ঝরে পড়ছে।
আরেক আম ব্যবসায়ী একই উপজেলার আমোদপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন জানান, গাছে মুকুল ধরার সময় তিনিসহ অনেক ব্যবসায়ীরা বাগান মালিকদের কাছ থেকে চড়া দামে বাগান কিনে লাভের আশায় ব্যাপক পরিচর্যা করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে আকস্মিক বৃষ্টি আর কুয়াশা সেই পরিচর্যাকে নষ্ট করে দেয়। আর বর্তমানে যখন বৃষ্টির খুব প্রয়োজন তখন অনাবৃষ্টি আর তপ্ত রোদে আমের গুটি গাছ থেকে ঝরে পড়ছে।
/বিটি/এএইচ/







