দোকানে হামলা ঠেকাতে বগুড়া সদর থানার ওসি ৫ লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন শহীদ রঞ্জু মার্কেটের ব্যবসায়ী এনামুল হক। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওসি সন্ত্রাসীদের পক্ষ নেওয়ায় পরিস্থিতি এখন এতটাই খারাপ যে আমি বা আমার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হতে পারে। আর তা হলে মামলার প্রধান আসামি হবেন বগুড়া সদর থানার ওসি আবুল বাশার।
লিখিত বক্তব্যে শহরের চক সূত্রাপুর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, আমি গত ৪০ বছর ধরে শহীদ রঞ্জু মার্কেটে ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু আমার দুই সৎ ভাই এমদাদুল হক ও একরামুল হক দোকান ঘরটি দখলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন। গত ২০ এপ্রিল তারা দোকানে হামলা করে কর্মচারীদের পিটিয়ে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তখন দোকান মালিক সমিতির নেতাদের নিয়ে থানায় গেলে ওসি আবুল বাশার প্রচণ্ড রেগে আমাদের রুম থেকে বের করে দেন।
এরপর ওসি দোকানে সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানোর বিনিময়ে এসআই আবদুর রাজ্জাকের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে জানান তিনি। ব্যবসায়ী এনামুল আরও জানান, তিনি বা তার পরিবারের কারও ক্ষতি হলে ওসি, দুই সৎ ভাই ও স্থানীয় যুবলীগের এক নেতা আসামি হবেন।
সদর থানার ওসি আবুল বাশার ব্যবসায়ীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই। ব্যবসায়ী মিথ্যাচার করছেন। তবে সদর থানার এসআই আবদুর রাজ্জাক বলেন, ওসির নির্দেশে দোকান নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে দু’দফা বৈঠক করা হয়েছে। আদালতে মামলা থাকায় বিষয়টির সমাধান করা যায়নি। তিনিও ঘুষ দাবির কথা অস্বীকার করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় ব্যবসায়ী এনামুল হকের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এ বিপদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আরও পড়তে পারেন: মন্ত্রী-এমপি ও সাংবাদিকদের হত্যার পরিকল্পনা ছিল
/এমও/








