রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এক কর্মীকে গ্রেফতারের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।এতে নারীসহ ১৯জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে আদিল ও ফজল শিকদারকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আগামী ৪ জুন নির্বাচনের প্রচারণা ও বাবু নামের এক কর্মীকে গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডিএম বাবুল মনোয়ার দেওয়ানের (নৌকা) কর্মীরা বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল আযমের (আনারস) কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন সমর্থক ও কর্মীরা আহত হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডিএম বাবুল মনোয়ার দেওয়ানের সমর্থিত কর্মী শেখ শাহীন বলেন, নৌকা প্রতীক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুলের সমর্থিত কর্মীদের বিরুদ্ধে শাহীন দেওয়ান বাদী হয়ে মামলা করে। এ মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ বাবু নামের একজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুলের লোকজন আওয়ামী লীগ প্রার্থী বাবুল দেওয়ানের লোকজনকে মারধর করে। এছাড়াও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাবলুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও তার ভাইদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
অগ্নিসংযোগ ও বাড়িতে হামলার ঘটনা সত্য নয়, দাবি করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল বলেন, কয়েক দফায় আমার কর্মীকে মারধর করেছে। তারা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করে আমার ওপর দায় চাপানো চেষ্টা করছে। এছাড়া নানাভাবে হুমকি দিয়ে পোস্টার ছিড়ে ফেলছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীরা।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে এই ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন: পাবনায় একই সময়ে জনসভা আহ্বান করায় ১৪৪ ধারা জারি
/এআর/








