
বগুড়ার সোনাতলার পশ্চিম তেকানী গ্রামে শুক্রবার মধ্যরাতে অপহরণ মামলার আসামি ধরতে যায় পুলিশ। এসময় ডাকাত ভেবে পুলিশের উপর হামলা চালালে দুই পুলিশসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
তবে সোনাতলা থানার ওসি আবদুল মোত্তালিব জানান, পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল।
আহতরা হলেন, সোনাতলা থানার এসআই আমিনুল ইসলাম (৩৮), নারী কনস্টেবল হাসনা নুর (২৪) ও গৃহবধু ফেন্সি বেগম (৩৫)।
সোনাতলার পশ্চিম তেকানী গ্রামের হরিখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রতিবেশি সৈয়দ জামানের ছেলে সাবু মিয়া ২ জুন অপহরণ করেন। মেয়েটির মা ৮ জুন সোনাতলা থানায় সাবু মিয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একদল পুলিশ শুক্রবার রাত ১২টার পর ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতার করতে ওই গ্রামের সাইফুল ইসলাম, রুবেল ও লেবুর বাড়ি তল্লাশি শেষে মাসুদের বাড়িতে যান। এসময় ফেন্সি বেগম ও অন্যরা ডাকাত ভেবে চিৎকার করেন এবং পুলিশের উপর হামলা চালায়। তখন দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হলে এসআই আমিনুল ইসলাম ও কনস্টেবল হাসনা নুর আহত হন। পুলিশের মারপিটে ফেন্সি বেগমও আহত হন। তাদের চিৎকারে গ্রামবাসীরা লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে এলে পুলিশ চয়ে যায়।
ফেন্সি বেগম জানান, পুলিশ গভীর রাতে তাদের বাড়িতে তল্লাশি করতে এসে মারধর শুরু করে।
এদিকে, সোনাতলা থানার এসআই মিনার হোসেন জানান, অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারে তারা ওই গ্রামে গিয়েছিলেন। আসামির লোকজন তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং ডাকাত ডাকাত চিৎকার করেন। তাদের হামলায় এসআই আমিনুল ও নারী কনস্টেবল হাসনা আহত হন।
আরও পড়ুন: কালবৈশাখী ঝড়ে দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
/এসটি/








