বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহীবাসীর গণজমায়েত পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। নগরবাসী বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর ভুবনমোহন পার্কে গণজমায়েতের চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। পরে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) ভবন ঘেরাও করা হয়।
এ কর্মসূচির আয়োজন করে রাজশাহীর পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনগুলোর ফোরাম রাজশাহী নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদ। এতে অংশ নেয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) একটি ফোরাম।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণ গণজমায়েত করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ তাতে বাধা দিয়েছে। পরে তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নগর ভবন অভিমূখে রওনা হন। পথে নগরীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে তাদের বাধা দেওয়া হয়।
নগরীর বোয়ালিয়া জোনের সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলায়েন দাবি করেন, আইন -শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় গণজমায়েতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তবে তারা শান্তিপূর্ণ ঘেরাওয়ের পর স্মারকলিপি দিয়ে নগরভবন ত্যাগ করেছে। এ নিয়ে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নিযাম উল আযীম না থাকায় তার ব্যক্তিগত সহকারী আজমির আহমেদ মামুন ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। স্মারকলিপি দিতে যান নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এনামুল হক ও হোল্ডিং ট্যাক্স প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক রাগিব আহসান মুন্নাসহ চারজনের একটি দল।
পরে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এনামুল হক বলেন, আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন, অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি রাজশাহীবাসীকে কঠিন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে রাসিককে বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্স প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে আন্দোলন ছাড়া নগরবাসীর আর বিকল্প থাকবে না।
এর আগে সকাল থেকে নগর ভবন জুড়েও নেওয়া হয়েছিল পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন করা হয় জলকামান ও সাঁজোয়া যানসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : মৌলভীবাজারে জঙ্গি দমনে পাড়া মহল্লায় মাইকিং ও গণসচেতনতা








