আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্বের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রতিটি নেতাকর্মীকে সরকারের উন্নযন কর্মকাণ্ড জনগণের দোর-গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন ও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আগামী নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগের বিজয় অর্জিত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সালে সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অধীনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি যদি এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে এবং অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ড করে তবে জনগণই তার জবাব দেবে। বিএনপি দল হিসেবে ধ্বংস হয়ে যাবে।’
শনিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের করণীয় বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে তিনি সিরাজগঞ্জের চর মালশাপাড়ায় যমুনারপাড়ে পাউবোর চায়না বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত দু’দিনের জেলা ইজতেমায় গিয়ে বয়াণ শোনেন। তিনি ইজতেমার আয়োজক মুরুব্বী ও মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন। আসর ও মাগরিবের নামাজও তিনি ইজতেমা মাঠে আদায় করেন।
সিরাজগঞ্জ সার্কিট হাউসে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নাসিম আরও বলেন, ‘বিজয়ের ৪৫ বছর পূর্তিতে তরুণ প্রজন্মের উচ্ছ্বাস ও অভূতপূর্ব গণজাগরণ প্রমাণ করেছে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি ছাড়া এদেশে কোনও অপশক্তির স্থান হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জাতির জনকের হত্যাসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যার বিচার করেছেন। একাত্তরের ঘাতক মাস্টারমাইন্ডদের বিচারে আদালতের রায়ও বাস্তবায়িত হয়েছে। তরুণ প্রজন্ম শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়নের ধারার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মহান বিজয় দিবসে উল্লাসে ফেটে পড়েছিল।’
এ সময় সার্কিট হাউসে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য্য, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী ইসহাক আলী, সাধারণ সম্পাদক দানিউল হক দানী, যুবলীগের সভাপতি মঈন উদ্দিন খান চিনু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম, যুবলীগ নেতা রাশেদ ইউসুফ জুয়েল ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-
‘আপু যে বেঁচে আছেন, আমার কাছে তা স্বপ্নের মতো লাগে’
নাসিক নির্বাচন: মেয়র প্রার্থীদের বাকযুদ্ধ, সংঘর্ষে কাউন্সিলররা
/এফএস/







