বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে এক প্যানেল মেয়রের প্রতিনিধিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘুষ দেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে।তার নাম আবদুর রহমান রাশেদ। রবিবার বিকালের এ ঘটনার পর ওইদিন রাতেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান শামীমের ভ্রাম্যমাণ আদালতের তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।এসময় ঘুষের ১৫ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, সারিয়াকান্দি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রায় ৪১ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। এ অবস্থায় মেয়র আলমগীর শাহী সুমন নামে সার্ভেয়ার পদে একজনকে নিয়োগের উদ্যোগ নেন। কিন্তু কর্মচারিরা এতে আপত্তি করেন। এ ব্যাপারে মতামত দিতে রবিবার ডিসি অফিসে পৌরসভার ১ নম্বর প্যানেল মেয়র আবদুল বাসেদ সরদারকে ডাকা হয়। মেয়রের কাছে লিখিত মতামত চাইলে তিনি অফিসে ফিরে লিখিত মতামত দেন এবং মতামত ডিসি অফিসে পৌঁছে দিতে সচিবকে নির্দেশ দেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা.তায়েব-উর-রহমান আশিক বলেন,‘সারিয়াকান্দি পৌরসভায় সার্ভেয়ার নিয়োগ করা হবে। এ ব্যাপারে মেয়র পক্ষে থাকলেও কর্মচারীরা বিপক্ষে অবস্থান নেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করতে আমাকে (ম্যাজিস্ট্রেট) দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে নিয়োগের পক্ষে সুপারিশ করতে মেয়র আবদুল বাসেদের পক্ষে পৌরসভায় মাস্টাররোলে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারী (সেবক পদ) আবদুর রহমান রাশেদ রবিবার বিকালে ডিসি অফিসে আসেন। তিনি প্যানেল মেয়রের পক্ষে আমাকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ট্রেজারি পুলিশ রাশেদকে হাতেনাতে আটক করে। ওই টাকার খামে প্যানেল মেয়রের সিল রয়েছে।রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত রাশেদকে সাতদিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া ঘুষের ওই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’
রাশেদ সারিয়াকান্দির কুপতলা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও ২০১৪ সালে পৌরসভায় মাস্টাররোলে সেবক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে মেয়র আবদুল বাসেদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
/এমডিপি/








