রাজশাহী নগরীতে ১১ শর্তে চলবে ব্যাটারিচালিত রিকশা

রাজশাহী প্রতিনিধি
০৩ জানুয়ারি ২০১৭, ০২:৪৬আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৭, ০৩:০০
image

রাজশাহী নগরীতে ১১ শর্তে চলবে ব্যাটারিচালিত রিকশা রাজশাহী নগরীতে ১১টি শর্তে আবারও ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের মধ্যস্থতায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) রিকশা মালিক ও চালকদের এই অনুমতি প্রদান করে।
এর আগে বছরের প্রথম দিন থেকে মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় রাসিক কর্তৃপক্ষ। ফলে রবিবার রাজশাহীতে কোনও ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারেনি। ব্যাটারিচালিত কোনও রিকশা সড়কে পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে রাসিক কর্তৃপক্ষ। ওই দিন দুপুরে রিকশা মালিক-চালকরা রাসিক-এর সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বাসার সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। লিটন রিকশা মালিক-চালকদের পরদিন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ডাকেন।
সোমবার সকালেই রিকশা মালিক ও চালকরা নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। বেলা ১১টার দিকে খায়রুজ্জামান লিটন সেখানে পৌঁছে রাসিক-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও রিকশা মালিক-চালকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। ত্রি-পক্ষীয় ওই সভায় ১১টি শর্তে মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় খায়রুজ্জামান লিটন ছাড়াও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, জাতীয় রিকশা-ভ্যান শ্রমিক লীগের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন তালুকদার ও রাসিক-এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১১ শর্তের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো, ব্যাটারিচালিত রিকশার গতিবেগ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে, রিকশার কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে, রিকশায় মোটা আকারের চাকা লাগাতে হবে, হাতের পাশাপাশি পায়ের মাধ্যমেও তিন চাকাতেই ব্রেক লাগাতে হবে এবং রিকশা চালাতে রাসিক-এর ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে।

আগামী এক বছরের মধ্যে এসব শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে এক বছর পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন থেকে নতুন কোনও রিকশাকে লাইসেন্স না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাসিক। বিভিন্ন উপজেলার ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে শহরে প্রবেশও করতে দেওয়া হবে না।

/এসএ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম