নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার পৌর শহরের কালীবাড়ি মহল্লায় ৮০ বছরের এক বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার ছয় ছেলেকে আটক করা হয়। পরে ইসমাইল নামে একজনের স্ত্রী অসুস্থ থাকায় তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অন্য পাঁচ ছেলে এস্কেন্দার, মাওলানা মহসিন আলী, ইয়াছিন আলী, ওসমান গণি ও ইসাহাক আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
নিহত আমেনা বেওয়া কালীবাড়ি মহল্লার মৃত নায়েবুল্লাহ’র মেয়ে। তার ছেলে ইসমাইল দাবি করেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে তার মাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শেষে সন্ধ্যায় এলাকায় মাইকিং করা হয়। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে বাড়ির অদূরে মেহগনি বাগানের ভেতর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহটি দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে বড়াইগ্রাম থানার একদল পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের দুই কানের রূপার দুল খোয়া গেছে। তার বাম কান ছিঁড়ে রক্ত বের হচ্ছিল। এছাড়া কান দিয়েও রক্ত পড়তেও দেখা গেছে। তার মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন ছিল।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি শাহরিয়ার খাঁন জানান, নিহতের মাথায় স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন দেখা যাওয়ায় নিঃসন্দেহে বলা যায় এটি হত্যাকাণ্ড। এছাড়া মৃতদেহটি টিন দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, ইসমাইলের স্ত্রী মারাত্মক অসুস্থ। ইসমাইলের সাহায্য ছাড়া তিনি উঠে দাঁড়াতেও পারেন না। এ কারণে মানবিক কারণে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনও মামলা দায়ের হয়নি।
আরও পড়ুন-
সুন্দরগঞ্জের সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডেই জামায়াত জড়িত!
/এফএস/








