সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ৩টার দিকে উল্লাপাড়া স্টেশনে মালামাল খালাশ শেষে ঈশ্বরদীতে ফিরে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রেনটি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া স্টেশনের পশ্চিম পয়েন্টিং-এর কাছে গেলে লাইনম্যানের ভুলের কারণে ইঞ্জিনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের সঙ্গে সাময়িকভাবে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় ঢাকাগামী নিলফামারীগামী নিল সাগর এক্সপ্রেস ও রাজশাহীগামী পদ্মা একাসপ্রেসসহ বেশ ক’টি ট্রেন দু’পাড়ে আটকে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েন শত শত যাত্রী। সকাল সাড়ে ৯টায় এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এখন ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি।
এদিকে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশনের সাম্প্রতিক নির্মিত লুপ লাইনে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ও রাজশাহী এক্সপ্রেস লোকাল ও উল্লাপাড়ায় মালবাহী ট্রেনের ৩টি ইঞ্জিন পর পর লাইনচ্যুত হওয়ায় চাপে পড়েন পশ্চিমাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।
সিরজাগঞ্জ জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইকবাল এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেনে এসে লাইনচ্যুত ইঞ্জিন উদ্ধারের পর ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে।
পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগের স্থানীয় ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ওয়ে) আশরাফ উদ্দিন জানান, ঈশ্বরদী থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এনে সকাল সোয়া ৯টার দিকে লইনচ্যুত ইঞ্জিনটি লাইনের ওপর তোলা হয়েছে। হয়তো আধা ঘন্টার মধ্যে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে। দুর্ঘটনার বিষয়ে বলেন, উল্লাপাড়া স্টেশনের পশ্চিম পয়েন্টিং-এর সঙ্গে মালবাহী ট্রেনটি ক্রসিং-এর লাইনম্যানের অসর্তকতা ও ভুল সিগন্যালের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার খবর শুনে পাকশী রেল বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ডিএন-টু) আসাদুল হক ভোরে ঘটনাস্থলে আসেন। ঘটনার তদন্তে পাকশী রেল বিভাগের ডিভিশনাল ট্রাফিক অফিসার (ডিটিও) ফিরোজ আহম্মেদ মোহসীর নেতৃত্বে কমিটি কারণ অনুন্ধানে উল্লাপাড়া আসছেন বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন-








