রাজশাহীর বাঘায় গত দুইদিনে কালবৈশাখী ঝড়ে আমের পাঁচ শতাংশ ঝড়ে পড়েছে। আর সে আমগুলো বাগান থেকে সংগ্রহ করে এক থেকে দুই টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।
বাঘা উপজেলার হামিদকুড়া গ্রামের আম বাগান মালিক কামরুল হাসান জুয়েল বলেন, ‘আমার আম বাগানে প্রতিটি গাছে ব্যাপক আম ধরেছিল। হঠাৎ ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে পড়া আম লোকজন কুড়িয়ে বাজারে বিক্রি এক থেকে দুই টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।’
আড়ানী পৌরসভার গোচর চার রাস্তার মোড়ে ঝড়ে পড়া আমের পাইকারী ক্রেতা লিখন আহম্মেদ বলেন, আমরা প্রত্যেক বছর ঝড়ে পড়া আম কিনে ঢাকায় চালান করি।
একই এলাকার ঝড়ে পড়া আম বিক্রেতা শাহীন আলম বলেন, আমি বাগান পাহাড়াদার। ঝড়ে আম কুড়িয়ে বিক্রি করছি। বাগান মালিকরা এইগুলোর টাকা নেয় না। তবে ঝড়ে বাগান মালিকের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম বলেন, এই উপজেলায় ৮ হাজার ৩৬৮ হেক্টর এলাকায় আম গাছ রয়েছে। হিসেব মতে এবারের ঝড়ে আমের ৫ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে। যা নির্ধারিত সময়ে এই আমগুলো গাছ থেকে নামিয়ে বিক্রি করলে ৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাগান মালিকদের পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এবার এই উপজেলায় ৭৬ হাজার মে.ট্রন আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
/এআর/








