রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জঙ্গি আস্তানায় 'অপারেশন সান ডেভিল’ এ নিহত জঙ্গিদের লাশ তাদের স্বজনরা নেবে না। এ কারণে ময়নাতদন্ত শেষে তাদের লাশ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দাফন করা হবে।
শুক্রবার (১২) অপারেশন সান ডেভিল সমাপ্ত ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নিসারুল আরিফ এ তথ্য জানান।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বেণীগ্রামে নিহত পাঁচ জঙ্গির মধ্যে চার জঙ্গি একই পরিবারের। তারা হলো বাড়ির মালিক সাজ্জাদ তার স্ত্রী বেলি, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে কারিমা। এছাড়া আরেকজন বহিরাগত জঙ্গি আশরাফুল।
সাজ্জাদসহ তার স্ত্রী ও সন্তানদের লাশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাজ্জাদের মা ও চাচা। তারা বলেন, ‘যারা জঙ্গি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তারা দেশের শত্রু। তাই তাদের লাশ আমরা নেবো না।’
এদিকে অতিরিক্ত ডিআইজি নিসারুল আরিফ বলেন, ‘সাজ্জাদ ও তার পরিবারের লাশ তার স্বজনরা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তাই তাদের লাশ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পাঁচ জঙ্গির লাশ দাফন করা হবে।’
প্রসঙ্গত, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোরে বেণীগ্রামে সাজ্জাদের বাড়ি ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় সাজ্জাদ, তার স্ত্রী বেলি, ছেলে আল আমিন, সোহেল ও মেয়ে কারিমা এবং বহিরাগত আশরাফুল আত্মঘাতী হয় বলে জানায় পুলিশ। বিস্ফোরণের সময় ফায়ার সার্ভিসের আহত কর্মী আবদুল মতিন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এসময় আহত হন পুলিশের আরও চার কর্মকর্তা। পরে সাজ্জাদের আরেক মেয়ে সুমাইয়া পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ওই আস্তানা থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।
/এআর/








