চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুই দিনের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ১২৫ এমএল এর ৪২০টি টিউবে থাকা সাড়ে ৫২ কেজি ভারতীয় এক্সক্লুসিভ পাওয়ার জেল, সাড়ে ৪কেজি গান পাউডার ও ২২টি জিহাদী বইসহ ৭ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকাল ৪টায় এক প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা হচ্ছে- নাচোল উপজেলার গুঠইল গ্রামের মৃত তাইফুর রহমানের ছেলে হারুন অর রশিদ (২৫), একই এলাকার মোস্তফার ছেলে কামাল উদ্দিন ওরফে সরকার (৩২), নাচোল সদর ইউনিয়নের বেড়াচকি গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে নাসিম রেজা ওরফে শাহিন (২০), শ্রীরামপুর গ্রামের কেতাবুল ইসলামের ছেলে ফিরোজ (২২), শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের শিবনগর কাইঠাপাড়া গ্রামের এসলামের ছেলে বাবু (২২), একই ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের মৃত নেশ মোহাম্মদের ছেলে আজিজুল হক (৩৮) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামের গুটুর ছেলে আ. হাকিম (২০)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার বলেন, ‘জেলার নাচোল উপজেলায় গ্রেফতারকৃত জঙ্গিনেতা হারুন অর রশিদের তথ্যের ভিত্তিতে গত দুই দিন ধরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বেনীপুর ও হাবাসপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে ৫ জঙ্গি ও এক ফায়ার সার্ভিস কর্মী নিহত হয়। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল, শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার দেবীনগরে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরকসহ ৭ জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা সবাই মধ্যম সারির নেতাকর্মী। জঙ্গি হারুন ও কামাল ছিটকাপড়ের ব্যবসা, নাসিম রেজা মসজিদের ইমাম, বাবু অটোরিক্সার চালানোর আড়ালে জেএমবি’র দাওয়াতিপত্রসহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া, গ্রেফতারকৃত জঙ্গি আ. হাকিমের ভাই খাইরুল বোমা ও গ্রেনেড তৈরির মূল কারিগর ছিল এবং অভিযানের খবর পেয়ে সে পালিয়ে যায়।’
জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘জঙ্গি মাহফুজ সোহেল, আলামিন, খাইরুলসহ আরও ৪/৫ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা গেলেই এ অঞ্চলের জঙ্গি কর্মকাণ্ডের মূলহোতাসহ জঙ্গিদের নেটওর্য়াকের তথ্য বের হয়ে আসবে।’
/এমও/








