রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা থানায় মামলাটি করে।
অভিযুক্তরা হলেন, বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের খাগড়বাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাকির হোসেন (২০) ও একই গ্রামের সমজান আলীর ছেলে নাজমুল হোসেন (২২)।
বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবুল কালাম মেয়েটির বরাত দিয়ে জানান, গত বুধবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে মেয়েটি তার বাড়ি থেকে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে বাড়িতে ফেরার পথে বখাটে জাকির ও নাজমুল মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর ধর্ষণ করে মেয়েটিকে ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে রইস উদ্দিনের বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। এদিকে মেয়েটি বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন খুঁজতে থাকে। রাত ৩টার দিকে ধর্ষকদের একজন মোবাইলে কল করে মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের জানায়, সে ঝিনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পড়ে আছে। ওই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন দ্রুত সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, জাকির ও নাজমুল পলাতক রয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
/বিএল/








