নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ ২৬ কর্মচারী ১৭ মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না, বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সমস্যা দূর করতে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের দাবি অস্বীকার করেছেন মেয়র মোশাররফ হোসেন।
মেয়র বলেন, ‘পে-স্কেলে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে বেতনের সমুদয় অর্থের সংকুলান করা যাচ্ছে না। এতে বিগত ছয়-সাত মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।’ ১৭ মাস বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি।
বাগাতিপাড়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়েজ উদ্দিন ও কর্মচারীদের দাবি, পৌরসভার ১২ কাউন্সিলর প্রায় এক বছর এবং ১৪ জন কর্মচারীর ১৭ মাস ধরে বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
তারা আরও জানান, গত ঈদে সর্বশেষ তারা বকেয়া বেতনের এক মাসের বেতন ও বোনাস পেয়েছেন। এরপর আর কোনও বেতন-ভাতা পাননি। ফলে বর্তমানে তাদের ১৭ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ সমস্যা দূর করতে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন কাউন্সিলর-কর্মচারীদের দাবি অস্বীকার করে জানান, সারা বাংলাদেশের চিত্র আর বাগাতিপাড়া পৌরসভার চিত্র একই রকম। কাউন্সিলর-কর্মচারীদের ছয় থেকে সাত মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে মাত্র। পৌরসভার নিজস্ব আয় থেকেই সাধারণত কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়। কিন্তু পৌর নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদানে অনীহা দেখানোর কারণে কর আদায়ের হার সন্তোষজনক নয়। তাই বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধে সংশ্লিষ্টদের দাবির উত্তরে মেয়র জানান, সরকারি নিয়ম মেনেই তাকে চলতে হয়। নিয়মের বাইরে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বকেয়া কমিয়ে আনার চেষ্টা করবেন তিনি।








