হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে বগুড়া

বগুড়া প্রতিনিধি
০৮ জানুয়ারি ২০১৮, ১৪:১৭আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৮, ১৪:৩২

আগুন পোহাচ্ছে নিম্ন আয়ের লোকজন মাঘের শীতে নাকি বাঘে খায়। যদিও মাঘ মাস এখনও আসেনি, পৌষের শীতেই এ অবস্থা এখন। শেষ পৌষের শীতে কাবু দেশ, বিশেষ করে উত্তরের জনপদ। শীতে কাঁপছে বগুড়াও। প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে তাপমাত্রা। সোমবার (৮ জানুয়ারি) বগুড়ার তাপমাত্রা ছিল ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৌসুমের শুরুতে তেমন শীত অনুভূত না হলেও গত কয়েকদিনের মৃদু শৈত্যপ্রবাহে শীত বাড়ছে। ফলে সমস্যায় পড়েছেন ছিন্নমূল লোকজন। তীব্র শীতে স্টেশন, ফুটপাত ও বিভিন্ন খোলা স্থানে আশ্রয় নেওয়া ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। শীতের কারণে শহরের সাতমাথায় ফুটপাত ও হকার্সসহ বিভিন্ন মার্কেটে শীতবস্ত্র বিক্রির হিড়িক পড়েছে।

হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি

বেলা পড়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা পড়তে শুরু করে এবং তাপমাত্রা কমতে থাকে। রাতে ও সকালে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।

গাড়িচালক হোসেন আলী বলেন, ‘শীতের তীব্রতা খুব বেড়েছে। কুয়াশা থাকায় রংপুর-বগুড়া মহাসড়কে সকালেও গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ফগ ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছি। কুয়াশার কারণে ধীরে চলাচল করতে গিয়ে সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।' একই মন্তব্য করেছেন ট্রাকচালক আহমেদ আলী।

শীতবস্ত্র কিনছেন লোকজন

স্টেশনে আশ্রয় নেওয়া ভিক্ষুক আসালত (৫৫) জানান, গত কয়েক বছরের মধ্যে এবার শীত বেশি। তিনি দিনভর ভিক্ষা করে রাতে স্টেশনের ফুটপাতে ঘুমান। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও শীতবস্ত্র না পাওয়ায় অনেক কষ্টে আছেন। রবিবার সন্ধ্যার আগে স্টেশন রোডে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া জানান, গত ৩-৪ দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। রবিবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে বগুড়া

তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কাছাকাছি থাকায় বগুড়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তবে কতদিন এ শৈত্যপ্রবাহ থাকবে সে ব্যাপারে তিনি কোনও মন্তব্য করতে পারেননি।

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম