রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের পাদদেশে মিছিল ও সমাবেশের ঘটনা ‘অসাবধানতাবশত’ উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বিকালে ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ নামক সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত ২৫ মার্চ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়। এ কর্মসূচিটি লাইব্রেরি চত্বর থেকে শুরু হয়ে টুকিটাকি চত্বর দিয়ে প্যারিস রোড হয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক অতিক্রম করে ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ চত্বরে শেষ হয়। এসময় ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের পাদদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ঝাড়ু নিয়ে ওঠে। সেখানে অসাবধানতাবশত কিছু শিক্ষার্থী ঝাড়ু ওপরে তোলে, যা আমাদের কর্মসূচির শুরুতে নিষেধ করা হয়েছিল। যদিও আমাদের কমিটির কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়, তবুও যেহেতু আমাদের কর্মসূচি থেকেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তাই এ অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ব্যাঘাত ঘটে, এমন কোনও কাজ আমরা আগেও সমর্থন করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। আগামী দিনে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না ঘটে, সেজন্য আমরা সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। সেই সঙ্গে যারা আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে তাদের তীব্র নিন্দা জানাই।’
বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মাসুদ মুন্নাফ, যুগ্ন আহ্বায়ক কাওছার আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম ও রুবেল হোসেনের স্বাক্ষর রয়েছে।
উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে ২৫ মার্চ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের সামনে ঝাড়ু মিছিল করা হয়। যা ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ২৬ মার্চ `মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের সামনে ঝাড়ু হাতে এরা কারা?' শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।







