রাবিতে যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের পরাজয়

সিরাজুচ ছালেকীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
০৫ মে ২০১৮, ১১:৪২আপডেট : ০৫ মে ২০১৮, ১৪:২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সিনেট, সিন্ডিকেট, ডিন, শিক্ষক সমিতিসহ ৭ ক্যাটাগরির ৭০ পদে আওয়ামপন্থী শিক্ষকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু পদে জয় পেয়েছেন বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা। যদিও তালিকাভুক্ত ভোটার সংখ্যায় এগিয়ে ছিলেন আওয়ামীপন্থীরা। প্রার্থী বাছাই নিয়ে অসন্তোষ, সাবেক উপাচার্য ও বর্তমান উপাচার্যপন্থীদের গ্রুপিং, অঞ্চল কেন্দ্রিকতা এবং শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা শিথিল এসব কারণে ভোটার বেশি হওয়া সত্ত্বেও পদগুলো হারাতে হয়েছে বলে মনে করছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের অনেকেই। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় এক ধরনের প্রভাব ফেলবে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি, পাঁচজন সিন্ডিকেট সদস্য, ৯ জন ডিন, শিক্ষক সমিতির ১৫ জন, ফাইন্যান্স এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটিতে দুই জন এবং শিক্ষা পরিষদের ৬ পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামীপন্থী ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ (হলুদ প্যানেল) এবং বিএনপি-জামায়াতপন্থী ‘জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ’ (সাদা প্যানেল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে হলুদ প্যানেল ৩৮টি পদে পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু পদে জয় পেয়েছেন সাদা প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা পেয়েছেন ৩২টি পদ।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিনেট নিয়মিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সবচেয়ে বড় জায়গা হলো সিন্ডিকেট। অধ্যাদেশ অনুযায়ী মাসে একবার হলেও সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করতে হয়। এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই নির্বাচনে সিন্ডিকেটের পাঁচটি পদের তিনটিতে জয় পেয়েছেন সাদা দলের প্রার্থীরা। ধারণা করা হচ্ছে, সভায় যদি তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণে একের পর ‘এক নোট অব ডিসেন্ট’ দেন, তাহলে সিন্ডিকেটে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হবে। বিষয়টি অনেকটা বিরোধী দলের জাতীয় সংসদ বর্জনের মতো বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এর বাইরে নির্বাচিত ৯টি ডিন পদ থেকে একজন সিন্ডিকেট সদস্য নির্বাচিত হবেন। সেখানে যদি আবারও সাদা দল থেকে প্রার্থী আসেন সেটা আরও সমস্যা তৈরি করবে।

এই নির্বাচন সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত নিতে বাধা তৈরি করবে কিনা, এমন প্রশ্নে সিন্ডিকেটের সাবেক এক সদস্য (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু যদি মতের অমিল দেখা দেয়, তাহলে এক ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সাদা দলের তিনজনের বাইরে আওয়ামীপন্থী দুই জনের সঙ্গে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, রাষ্ট্রপতি মনোনীত প্রতিনিধিরাও থাকেন। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হবে না। কিন্তু তারা যদি যুক্তি করে প্রতিটি সভায় নোট অব ডিসেন্ট দেন, সেটা অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করবে।’

অন্যদিকে, ডিন ক্যাটাগরিতে ৯টি পদের ৫টিতে জয় পেয়েছে হলুদ প্যানেল। এর মধ্যে আইন অনুষদে প্রার্থী দিতে না পারায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন হলুদ প্যানেলের প্রার্থী। বাকি ৪টি পদে জয় পেয়েছেন সাদা প্যানেলের প্রার্থীরা। এদিকে, সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন বিএনপি-জামায়াতপন্থীরা। এই ক্যাটাগরিতে ৩৩ পদের ১৯টিতে সাদা প্যানেল ও ১৪টিতে হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। তবে সিনেট যেহেতু নিয়মিত নয়, তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা।

এদিকে, শিক্ষক সমিতিতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রথমসারির পদগুলোতে জয় পেয়েছেন বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা। এই নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষসহ গুরুত্বপূর্ণ ৬টি পদই পেয়েছে সাদা প্যানেল। অন্যদিকে হলুদ প্যানেল থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আটটি সদস্য পদ পেয়েছে হলুদ প্যানেল। শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল বলে জানা গেছে। যেখানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত প্রার্থীদের নিয়ে অনেকের মধ্যে অসন্তোষ ছিল বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটিতে দুটি পদ এবং শিক্ষা পরিষদের দুটি ক্যাটাগরিতে ছয় জনই নির্বাচিত হয়েছেন হলুদ প্যানেল থেকে।

জানা গেছে, নির্বাচনের এই ফলাফল নিয়ে মোটামুটি চিন্তিত আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। কারণ নির্বাচনে শিক্ষক সমিতিতে ভোটার সংখ্যা ১১৫৮ এবং অন্য প্রশাসনিক পদগুলোতে ১০২০ জন। এর মধ্যে আওয়ামীপন্থীদের তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা ৬৬৬ জন। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় স্বাভাবিক। এ নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন মত দিচ্ছেন।

সাবেক উপাচার্য ও বর্তমান উপাচার্যপন্থীদের দ্বন্দ্ব

নির্বাচনে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের মধ্যে এক ধরনের দ্বন্দ্ব বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তাদের মতে, এ নির্বাচনে সাবেক উপাচার্যপন্থীরা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে এ মতের সঙ্গে অনেকেই দ্বিমতও পোষণ করেছেন। তারা বলছেন, সাবেক উপাচার্য ও বর্তমান উপাচার্যের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। তাই বলে তারা বিএনপি-জামায়াতপন্থীদের ভোট দেবেন, এমনটা হতে পারে না।

প্রার্থী বাছাইয়ে অসন্তোষ

নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে এক ধরনের অসন্তোষ ছিল বলে অনেক শিক্ষক জানিয়েছেন। বিশেষ করে, শিক্ষক সমিতির সভাপতি পদে অধ্যাপক পি এম সফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক রবিউল ইসলামের মনোনয়ন নিয়ে এক ধরনের অসন্তোষ ছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পদে তাদের মনোনয়ন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষক সমিতির সাবেক এক নেতা বলেন, ‘হলুদ প্যানেল থেকে যে কাউকে মনোনয়ন দিলেই জয় পাবে, এমন চিন্তাধারা ভুল ছিল। যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী সবসময় বড় ফ্যাক্ট। সেদিকে নজর দেওয়া উচিত ছিল। কারণ যারা সাধারণ ভোটার হিসেবে অংশ নেবেন তারা প্রার্থীর ভুল-ক্রুটি, যোগ্যতা বিবেচনায় রাখেন। তাই প্রার্থীরা সর্বসাধারণের কাছে কেমন গ্রহণযোগ্য হবে তা বিবেচনায় রাখা দরকার ছিল।’

অঞ্চলকেন্দ্রিকতা

এই নির্বাচনে অঞ্চলকেন্দ্রিকতাও এক ধরনের প্রভাব রেখেছে। সিন্ডিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে একই অঞ্চল থেকে দুইজন প্রার্থী দেওয়া মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। পাঁচ ক্যাটাগরির পদের ২টিতে প্রার্থীরা ছিলেন একই এলাকার। প্রাধ্যক্ষ ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক রেজাউল করিম বকসী ও অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া দুজনেই রংপুর অঞ্চলের। তাই অনেক শিক্ষকের এটা নিয়ে আপত্তি ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সবসময় নিজেদের কাছের লোকজনকে রাখতে চায়। আর এটা করতে গিয়ে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে বলে অভিযোগ আছে। আওয়ামপন্থী এক শিক্ষক বলেন, ‘প্রার্থী সিলেকশনে স্টিয়ারিং কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাঁচ সদস্য খুব বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। তারা যেটা বলেছেন, সেটাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। সিলেকশনে স্টিয়ারিং কমিটির বাকি ১৫-১৬ জনের কথার কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ওই পাঁচজন প্রশাসনের কাছের লোকজনকে প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করেছেন এবং তাদের প্রার্থী হিসেবে বাছাই করতে ভূমিকা রেখেছেন। অন্যদের প্রস্তাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি যা নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে।’

শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা শৈথিল্য

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটা নিয়েও এক ধরনের অসন্তোষ ছিল শিক্ষকদের মধ্যে। গত ২১ এপ্রিল সিনেট ভবনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘শিক্ষকদের দায়িত্ব, কর্তব্য, অধিকার ও বিধিবিধান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি’ বিষয়ক এক কর্মশালায় শিক্ষকরা এই বিষয়টা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে সভা সূত্র জানায়।

তবে এই নির্বাচনকে থেকে আওয়ামীপন্থীদের জন্য সতকর্তা হিসেবেও দেখছেন অনেকেই। শিক্ষকরা বলছেন, ‘এই নির্বাচন থেকে অনেক শিক্ষা নেওয়ার আছে। আমাদের ঘাটতিগুলো কোথায় তা আমরা সবাই জানি। তাই আমাদের উচিত হবে সেই জায়গাগুলো কাজ করা এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক হওয়া।’

এদিকে, নিজেদের মধ্যকার ক্রোন্দলকে দায়ী করছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজের স্টিয়রিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জুলফিকার আলী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই ফলাফলের জন্য আসলে নিজেদের কোন্দল দায়ী। এটা অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। তবে এবারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরাজয়ের পরিমাণ একটু বেশিই। এক সঙ্গে অনেকগুলো পদের নির্বাচন হওয়ার জন্যেও এটা হতে পারে।’

প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে কোনও অসন্তোষ তো ছিল না। স্টিয়ারিং কমিটিতে কোনও সদস্যকে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। তবে কলা অনুষদের একটি প্রার্থী নিয়ে একজনের আপত্তি ছিল। তাই ওই পদে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর বাইরে কোনও সমস্যা তো দেখছি না।’

অধ্যাপক জুলফিকার আলী বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে আমরা সচেষ্ট থাকবো। আমরা চেষ্টা করবো এরকম পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি যেন না হয়।’



/এফএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম