রানীনগরে যুবলীগ নেতা আজিমের জানাজায় যোগ দিতে গিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন। পরে পুলিশ এলে এমপি জানাজায় অংশগ্রহণ না করে দ্রুত চলে যান। পরে পুলিশ সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে এখনও গুরুত্বপূর্ন স্থানগুলো পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ মে) দুপুরে করজগ্রামে নিহত আজিমের জানাজায় যোগ দিতে গেলে এমপি ইসরাফিল আলম গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন।
উল্লেখ্য, রানীনগর উপজেলার করজগ্রাম গ্রামের একটি পুকুর দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের মসজিদ কমিটি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। এবছর সেটি উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহাদত হোসেন সায়েম লোহাচূড়া মৎস্য সমিতির মাধ্যমে লিজ নেন। রবিবার দুপুরের সায়েম একটি সংঘবদ্ধ দল নিয়ে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে ওই পুকুরের দখল নিতে যায়। এসময় কালীগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আজিম উদ্দিনসহ করজগ্রাম গ্রামের বেশকিছু বাসিন্দা তাদের বাধা দেয়। বাধা পেয়ে হামলা চালিয়ে আজিম ও গ্রামবাসী কয়েকজনকে মারধর করে সায়েম ও তার লোকজন। তারা হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে মারা যায় আজিম।
রানীনগর থানার ওসি এসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা এজাহারভুক্ত সব আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।
নওগাঁ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার লিমন রায় বলেন, ‘মামলায় প্রধান অভিযুক্ত রয়েছে রানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহাদত হোসেন সায়েম। তার সহযোগী হিসেবে আরও ২৫ জনের নাম ও অজ্ঞাতনামা আরও কিছু আসামির কথা উল্লেখ রয়েছে মামলার এজাহারে। আমরা মামলাটি গুরুত্ব সহকারে দেখছি।








