রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বুলবুলের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট কামরুল মনির।
এর আগের দিন রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে তার মনোনয়নপত্র তোলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নওশের আলী। রাসিক নির্বাচনে মেয়র পদে এ পর্যন্ত কেবল এই দুই নেতার পক্ষেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে, তারা কেউই জমা দেননি। আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। সেদিনই এ দুই নেতা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে।
প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাসিক নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেতে লিটনই একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। দলের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি লিটনকে আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীক নিশ্চিত করেছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলও রাজশাহী থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। তার দলও তাকে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েছে।
রাজশাহী জেলা নির্বাচন অফিসার আতিয়ার রহমান জানান, সোমবার পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৮জন তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করে। এর মধ্যে সোমবার ১৭জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যাদের মধ্যে ৭জন নারী ও ১০জন পুরুষ কাউন্সিলর প্রার্থী। বাকি পাঁচ জন আগে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে, এখনও মেয়র পদে কোন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।
তিনি জানান, সোমবার ১৪জন তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে একজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ২জন। এ নিয়ে মোট ১২০জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ২জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৭জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৫১জন।
উল্লেখ, গত ১৩জুন থেকে রাসিক নির্বাচনের তফসিল কার্যকর হয়। সেদিন থেকেই ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীদের মাঝে মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ ও ২জুলাই; প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯জুলাই। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ১০জুলাই। আগামী ৩০জুলাই ভোট গ্রহণের জন্য দিন ঠিক রয়েছে।








