বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে ককটেল, ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও ইটের টুকরা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল বাশারকে প্রধান আসামি করে ৩০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। শাজাহানপুর থানার এসআই রামজীবন ভৌমিক ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫-ঘ তৎসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮ এর ৪/৬-১/৫ ধারায় এই মামলা করেন।
শাজাহানপুর থানার এসআই রামজীবন ভৌমিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুটি ককটেল, তিনটি হাসুয়া, একটি ছুরি, ১০টি লাঠি ও কিছু ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়। মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল বাশার জানান, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা শেষে তারা চলে আসার পরে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালায়। এটি গভীর ষড়যন্ত্র ও বিএনপিকে প্রতিহত করা সরকারি অপকৌশল। তিনি দাবি করেন, পুলিশ দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পিওন ইদ্রিস আলীকে বের করে দেয়। এরপর নিজেরাই অস্ত্র রেখে ছবি তোলে।
শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম বিএনপির নেতার অভিযোগ দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করে জানান, কোন নাশকতার জন্য এসব মজুদ করা হয়েছিল।







