পাবনার আতাইকুলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কোরবান হোসেন (৩৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হন পুলিশের চার সদস্য। পুলিশের দাবি, নিহত কোরবান চরমপন্থী নকশাল দলের আঞ্চলিক নেতা। সে আতাইকুলার যাত্রাপুর গ্রামের কিয়ামুদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।
আতাইকুলা থানার অফিসার ইনর্চাস (ওসি) মাছুদ রানা জানান, সোমবার রাত দেড়টার দিকে খবর আসে যে আতাইকুলা থানার কৈজরী গ্রামের সোবহানের কাঠাল বাগানে একদল চরমপন্থী সন্ত্রাসী গোপন বৈঠক করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ওই স্থানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টেরে পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্থানীয়রা কোরবানের পরিচয় শনাক্ত করেন।
ওসি মাসুদ রানা আরো জানান, এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন, এএসআই মন্টু হোসেন, ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুর রউফ ও শাহিন আলী।
ওসি জানান, ঘটনাস্থাল থেকে পুলিশ একটি রিভলবার, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি কার্তুজের খোসা, ২০ পিছ ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।
নিহত কোরবানের বিরুদ্ধে আতাইকুলা ও পাশ্ববর্তী আটঘরিয়া থানায় হত্যা-ডাকাতিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।








