রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আলমগীর হোসেন আলো (৪৯) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত আলমগীর একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। শনিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আলমগীর হোসেন আলো নগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী এলাকার মোক্তার হোসেনের ছেলে। গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলমগীর হোসেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
ইফতেখায়ের আলম জানান, শনিবার রাতে আরএমপির কাটাখালি থানার মধ্যচর এলাকায় মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা। তখন আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। গোলাগুলির একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে জানা যায় তার নাম আলমগীর হোসেন এবং সে নগরীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে নগরীর মতিহারসহ বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা রয়েছে। এছাড়া গত ১ অক্টোবর কাটাখালি থানার খিদিরপুর মধ্যচর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই মাহবুব ও কনস্টেবল সুজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৪১ জনের নাম উল্লেখ করে ৯১ জনকে আসামি করে মামলা হয়। ওই মামলায় সে ৩ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি ছিল।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিল ও একটি শাটারগান উদ্ধার করা হয়েছে।








