পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জাতীয় চার নেতাকে নিমর্মভাবে হত্যা করে। তবে রাখে আল্লাহ মারে কে। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছেন। তাদের শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্ত বইছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কারও কাছে মাথা নত করে না। কারণ তিনি বাবার আদর্শ নিয়ে বাঁচতে চায়। তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করছে।’
শনিবার বিকালে চারঘাট উপজেলা চৌমহনী, ইউসুফপুর জায়েদা জলিল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলহত্যা দিবসের আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এত সহজে বিকিয়ে দেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের নিপীড়িত-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সোনার দেশ গড়তে চেয়েছিলেন। হায়েনারা তাকে বাঁচতে দেয়নি।’
তিনি বলেন, এ সরকার ন্যায় বিচার ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিচার শেষ হয়েছে এবং আত্মস্বীকৃত খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের বিচারের রায় কার্যকর করা হবে।
যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজশাহীতে জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। শোক আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে শহীদ জাতীয় চার নেতাকে। মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে স্বাধীনতা চত্বরে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এছাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে নগরীতে একটি শোক র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে নেতৃত্বে দেন জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। র্যালিতে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে নগরীর লক্ষ্মীপুরে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।








