কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বলেছেন, ‘জাতীর চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনই পারেন রাজশাহীর উন্নয়নে কিছু করতে। বিগত সময়ে তিনি অনেক উন্নয়ন করেছেনও। তার কারণে রাজশাহী আজ সুন্দর নগরীতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সাংস্কৃতিক পরিবেশের উন্নতি হচ্ছে।’
রবিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ‘ঋত্বিক ঘটক সম্মাননা পদক প্রদান ও তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহীর মিয়াপাড়াস্থ ঋত্বিক ঘটকের পৈতৃকভিটায় রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটি। অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন ও চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলকে ঋত্বিক ঘটক সম্মাননা পদক-২০১৮ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে হাসান আজিজুল হক আরও বলেন, ‘ঋত্বিক ঘটকের অনেকগুলো সিনেমা আছে, আগামীতেও আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সমাজে অপসংস্কৃতির জঞ্জাল জন্মেছে। আমাদের এমন কিছু করতে হবে, যাতে করে সব জঞ্জাল ভেসে যায়। আমাদের সত্যিকারের সমাজ সংগঠক তৈরি করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘রাজশাহী শহরের চারটি সিনেমা হলের মধ্যে উপহার নামে একটি চালু ছিল। কিন্তু সেটিও কিছুদিন আগে বন্ধ হয়ে গেলো। শুনেছি, সেখানে নাকি বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করা হবে, যেখানে সিনেপ্লেক্স থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমা হলে সিনেমা দেখা যায় নিজের মতো করে। সিনেপ্লেক্সের সঙ্গে সেটি মিলবে না। আগামীতে রাজশাহী সিনেমা হল গড়ে তোলা এবং পরিচালনা করা যায় কিনা, সেটা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কথা দিতে পারছি না, তবে আলোচনা করে দেখবো।’
ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটি রাজশাহীর সভাপতি ডা. এফএমএ জাহিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন– শিক্ষাবিদ ও কবি অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার আকরাম খান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল প্রমুখ।








