বগুড়া সদরে অপহরণের তিনদিন পর অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) রাতে গাবতলী উপজেলা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ইসরাফিল হোসেন (২২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর জামা বানাতে দর্জি বাড়িতে যাওয়ার সময় ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
শনিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বিকালে ছাত্রীর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য জেলা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নেওয়া হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ছাত্রীর বাবা ও স্বজনরা অভিযোগ করেন, ‘তাদের মেয়েকে স্কুলে যাতায়াতের পথে বগুড়া সদরের শাখারিয়া ইউনিয়নের কদিমপাড়া গ্রামের ইসরাফিল হোসেন উত্ত্যক্ত করে আসছিল। তারা সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় প্রতিবাদ করার সাহস করেননি। গত ২৮ নভেম্বর মেয়ে স্কুল ড্রেস বানাতে কুটুরবাড়ি গ্রামে দর্জির কাছে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গ্রামের রাস্তা থেকে ইসরাফিল হোসেন তাকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। সদর থানায় জানালে শুক্রবার রাতে পুলিশ গাবতলী উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামে ইসরাফিলের বোনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও ইসলাফিল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ইন্সপেক্টর নির্মল জানান, রাতেই ছাত্রীর বাবা সদর থানায় ইসলাফিল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় মামলা করেছেন। শনিবার ইসরাফিল হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। বিকালে তার (ছাত্রী) জবানবন্দি রেকর্ড করানোর জন্য অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়।








