রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি বাচ্চু রহমান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
বাচ্চু রহমানের বাড়ি উপজেলার সইপাড়া গ্রামে। তিনি মৃত লোকমান মেম্বারের ছেলে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে রামেক হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা যুবদলের সভাপতি বাচ্চু রহমান (৫০) বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ব্যবসায়িক কাজ শেষে কেশরহাট থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তায় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে দেশ কোল্ডস্টোরেজের কাছে পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস তার পথরোধ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। পরে বাগমারা উপজেলার আচিনঘাট এলাকা থেকে স্থানীয়রা দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়।
রাজশাহী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কি না তা নিশ্চিত নয়। বাচ্চু ওই এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীও।’
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তী (ওসি) আবুল হোসেন জানান, ‘মোটর সাইকেলে করে বাচ্চু ও আশরাফ নামে দুইজন যাচ্ছিলেন। পথে একটি সাদা মাইক্রোবাস থামিয়ে বাচ্চুকে তুলে নিয়ে যায়। পরে বাগমারার আচিনঘাটে ফেলে রেখে গেলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।’
রাজশাহী জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক খান জানান, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাচ্চু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এটা ঠিক। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কোনও সদস্য তাকে তুলে নিয়ে যায়নি।’








