বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে ধানের শীষের কর্মীদের হামলায় আজিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার ১২টা দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নাজমুল হুদা ডুয়েল নামে এক ইউপি সদস্যও আহত হয়েছেন। বগুড়ার কাহালু থানার ওসি শওকত কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
পাইকড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিঠু চৌধুরী জানান, বিএনপি কর্মীদের হামলায় আজিজুল ইসলাম নিহত হয়েছে। কেন্দ্র দখলে বাধা দিতে গেলে তাকে ওপর হামলা করা হয়। গুরুতর আহত আজিজুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সে পথেই মারা যায়। তিনি বাগইল গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে।
তবে ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মোশারফ হোসেন অভিযোগটি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশের বাজারে ধানের শীষের সমর্থকরা লাঙ্গলের সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এ সময় বুড়িগঞ্জ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসেন, স্থানীয় নেতা শ্যামলসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
অপরদিকে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের গাবতলী উপজেলার রানীরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু (ট্রাক মার্কা) ও অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস আরা খানের (ডাব মার্কা) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আনসার সদস্যরা কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় আধাঘণ্টা ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেন্দ্রে পৌঁছে ভোটগ্রহণ শুরু করেন। বগুড়া-৭ আসনের শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে জামায়াত-শিবির কর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এ সময় পুলিশ ৪ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বগুড়া-৪ আসনের নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা এলাকা কেন্দ্রের বাইরে নৌকা ও ধানের শীষের প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৩ জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের বিএনপি দলীয় প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ অভিযোগ করেন, শেরপুর উপজেলার ১৭৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬৫টি কেন্দ্রে তার সমর্থকরা ভোট দিতে পারেননি। ভোটাররা এসব কেন্দ্রে ভোট দিতে যাননি। এ বিষয়ে তিনি পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।
বগুড়া-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না অভিযোগ করে বলেন, ‘তার নির্বাচনি এলাকায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।’








