পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের জন্য রাজশাহীতে ছোট-বড় সব ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। কোনও কোনও মাঠে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ইতোমধ্যে ফ্রেম তৈরি করা হয়েছে। অনেক মাঠেই টানা হচ্ছে বৈদ্যুতিক তার। তৈরি করা হচ্ছে গেইটও।
রাজশাহী নগরীতে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে শাহ্ মখদুম রূপোস ঈদগাহ ময়দানে। ঈমামতি করবেন নগরীর জামিয়া ইসলামীয়া শাহমখদুম (র.) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মো. শাহাদত আলী। তার সহকারী হিসেবে থাকবেন নগরীর হেতেমখাঁ বড় মসজিদের পেশ ঈমাম ও খতিব মাওলানা মো. ইয়াকুব আলী।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় সম্ভব না হলে একই সময় হযরত শাহমখদুম (র.) দরগা মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহীতে একই সময় ঈদের দ্বিতীয় বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায়। সকাল ৮টায় রাজশাহীর অন্যতম বড় ঈদের জামাত হবে টিকাপাড়া ঈদগাহ ময়দানে। এ ছাড়া, রাজশাহী জেলা ও মহানগরীর অন্য ঈদগাহগুলোতেও সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র আরও জানায়, রাজশাহীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এসব ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজে অংশ নেন। তাই নেওয়া হচ্ছে কঠোর নিরাপত্তাও।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সদর গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, ঈদ জামায়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে থানার পুলিশ। থাকবে টহল পুলিশও। এ ছাড়া, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশও নিরাপত্তার বিষয়টি দেখবে। প্রতিটি জোনের ডিসি ও এসিরা এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় করবেন। এ ছাড়া, নগরীর প্রতিটি এলাকায় সংশ্লিষ্ট থানার একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ টহল দেবে। তাদের সহযোগিতা করবে টহল ও সাদা পোশাকের পুলিশ। এ ছাড়া, নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদগাহ মাঠে সিসি টিভি ক্যামেরার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, জেলার প্রতিটি থানায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঈদের জামায়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্যানেল মেয়র সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ঈদের দিন ২১০টি স্থানে পশু কোরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব স্থান থেকে কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করারও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’








