বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহফুজার রহমান বাবলুকে (৬০) অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যুবলীগ নেতা আলহাজ শেখর বাড়িতে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবলীগ নেতা।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবলু মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) শাজাহানপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। শাজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাবলুর পরিচিত মোফাজ্জল হোসেনের কাছে ব্যবসায়িক সূত্রে নাদিম হোসেনের ৫০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ ব্যাপারে মোফাজ্জল বাবলুর কাছে যান। মোফাজ্জল দুই মাসের মধ্যে ওই টাকা পরিশোধে অঙ্গীকার করেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা না দেওয়ায় নাদিমের সঙ্গে মোফাজ্জলের বিরোধ হয়। নাদিম এজন্য বাবলুকে দায়ী করেন এবং তাকে হুমকি দেন। এর জের ধরে নাদিমের নেতৃত্বে আসামিরা ২৯ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার দিকে চারটি মোটরসাইকেলে সাজাপুর এলাকায় পুরাতন থানা ভবনের সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে বাবলুকে জিম্মি করে বগুড়া শহরের সুত্রাপুর এলাকায় জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ শেখের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধরের পর তিনটি ১০০ টাকা মূল্যের সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়। এর আগে তার পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
বাবলুর অভিযোগ, যুবলীগ নেতা আলহাজ শেখের নির্দেশেই নাদিমরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। তিনি শাজাহানপুর থানায় মামলা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে আলহাজ শেখ জানান, তিনি বাবলুকে তুলে আনার নির্দেশ দেননি। নাদিম, বাবলু ও অন্যরা এমনিতে তার বাসায় এসেছিলেন। তাকে কেউ মারধরও করেনি। অথচ তিনি থানায় মিথ্যা মামলা করেছেন। তার কাছে এ সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।
শাজাহানপুর থানার ওসি জানান, আওয়ামী লীগ বাবলুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।








