বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের দুদিন পর শহিদুল ইসলাম (৩৪) নামের এক ট্রলি চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে সুত্রাপুর এলাকার ফুলজোড় নদীর ঘাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী সালমা বেগমকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ।
শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের সুত্রাপুর আখিরীপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী সালমা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী শাহীন আলমের প্রেমের সম্পর্ক হয়। বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র শাহীন আলম আড়াই মাস আগে সালমাকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। একমাস আগে সালমাকে ফেরত দেন। শহিদুল স্ত্রীকে মেনে নিয়ে সংসার করছিলেন। কিন্তু, এরপরও সালমার সঙ্গে শাহীনের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সালমা কৌশলে শহিদুলকে ফুলজোড় নদী থেকে পানি আনতে পাঠান। এরপর থেকে শহিদুল নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয়রা নদীর সুত্রাপুর ঘাটে শহিদুলের ব্যবহৃত লুঙ্গি ও গামছা দেখতে পান। পরে নদীতে বিকালের দিকে তার লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার ও হত্যায় জড়িত সন্দেহে তার স্ত্রী সালমাকে আটক করে।
ওসি আরও জানান, শহীদুলের চাচা মঙ্গলবার রাতে শেরপুর থানায় অজ্ঞাত তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। লাশ উদ্ধারের পর থেকে শাহীন নিখোঁজ রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিক্যাল (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।








