মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসন এবং জার্মান, ব্রিটেন, ভারত থেকে ডাক্তার এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। তাদেরকে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে বিয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। এসব নির্যাতিত নারীদের বিয়েতে অভিভাবকের নামের স্থলে তিনি নিজের নাম লেখার অনুমতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘বলে দাও বাবার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঠিকানা ধানমন্ডি ৩২।’’
রবিবার দুপুরে (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ের জয়ীতাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নারীদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে জয়ীতা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। দেশব্যাপী নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে জয়ীতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমানে এ কার্যক্রমের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। এখন দেশে ১৮০টি স্টলের মাধ্যমে ১৮ হাজার নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিপণন করতে পারছে। বর্তমান সরকার ৩৯ হাজার নারীকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র ও কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল চালু করেছে। ১০ লাখ ৪০ হাজার নারীকে ভিজিডি কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। ৭ লাখ ৭০ হাজার নারীকে মাতৃত্বকালীন ভাতা দেওয়া হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে জীবনযুদ্ধে জয়ী রাজশাহী বিভাগের মোট ৪০ জন জয়ীতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করেন।
রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তার, মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক পারভীন আক্তার, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক একেএম হাফিজ আক্তার ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক।








