বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে করোনার উপসর্গ নিয়ে আবদুল হান্নান (৪৫) নামে এক বক্তি মারা গেছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে মারা যান তিনি। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে তাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শফিক আমিন কাজল এ তথ্য জানান। এর আগেও এই হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়।
আইসোলেশন ইউনিট সূত্র জানায়, মৃত আবদুল হান্নান বগুড়ার গাবতলী উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের মৃত ফজেক আলীর ছেলে। তিনি বৃহস্পতিবার মস্তিস্কে রক্তক্ষণ নিয়ে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি হন। এক্সরে রিপোর্টে তার নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে রাত ১২টার দিকে তাকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে হাসপাতালটির আইসোলেশন ইউনিটে করোনার উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হলো। আগের তিন জনের নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।
ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, আবদুল হান্নানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউমোনিয়া, ডায়াবেটিস ও মস্তিস্কে রক্তক্ষণ নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তিনি মারা গেছেন। পরে স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে জানাজা শেষে লাশ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, বগুড়ায় বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ২০ জনের মধ্যে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। ১৮ জনের মধ্যে সাত জন আইসোলেশনে এবং ১১ জন নিজ নিজ বাড়িতে সঙ্গনিরোধ অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।








