সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়ে সয়দাবাদ রেলস্টেশনের উত্তরে মোহনপুর নৌকাঘাট। এটি উত্তরাঞ্চলে প্রবেশদ্বার। লকডাউনের কারণে এতদিন ঘাটটি জমজমাট না হলেও গত কয়েকদিন ঘাটটি দিয়ে বেশ জমজমাট। এ ঘাট দিয়ে নৌকা করে যমুনা পাড়ি দিয়ে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর হয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে প্রতিদিন ঢাকা ছুটছেন কর্মহীন লোকজন। স্থানীয় একটি দালাল চক্র ঘাটটি নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সহজেই এ ঘাট দিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় লোকজন পাঠিয়ে দিচ্ছে তারা। ৭০-১০০ টাকা দিলেই যমুনা পাড়ি দিয়ে নৌকায় ভুয়াপুর ঘাট। পরে ট্রাকে চড়ে ঢাকা যাচ্ছেন অনেকেই।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে সরেজমিনে মোহানপুরঘাটে গিয়ে নৌকায় ভুয়াপুরে যাত্রী পাঠাতে দেখা যায়। তবে শুধু এ ঘাটেই নয়, সেতুর উত্তরের যমুনা পাড়ে সদর মতিসাহেবের ঘাট, বিয়ারা, রানী গ্রাম, বিএল স্কুল সংলগ্ন বাঁশ ঘাটের আশপাশ থেকে ভোর বেলায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভুয়াপুরের দিকে প্রতিদিনই কয়েক ডজন নৌকা ছেড়ে যায়।
বঙ্গবন্ধু পশ্চিম থানার ওসি সৈয়দ সহিদ আলম বলেন, ঘাটটি সদর থানা সীমানার মধ্যে। গত ক’দিন আগে নৌকার ভাড়া নিয়ে এক যাত্রীকে মারধর করার ঘটনা শুনে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে সদর থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। এ ঘাট থেকে ভুয়াপুর হয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে প্রতিদিন ঢাকা ছুটছে শত শত কর্মহীন লোকজন। নৌপুলিশও বিষয়টি জানে। তাদের নিজস্ব যানবাহন না থাকায় তারাও সেভাবে অভিযান চালাতে পারে না।
সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতুর ইকোপার্কের ভেতর দিয়ে মোহনপুর ঘাটে যাওয়া আমাদের জন্য কঠিন। সেতু থানা পুলিশের পক্ষে সেখানে যাওয়া বরং সহজ হয়।’
নৌপুলিশের এসআই মাহমুদুর রহমান বলেন, এত বড় নদী। কখন কোথা থেকে নৌকা ছেড়ে যায় ঠেকানো মুশকিল।







