পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম গোলবারকে পেটানোর অভিযোগে পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু (৫৫)-সহ ৭ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) আবুল কাশেম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আলমগীর হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ছইমুদ্দিন, মো. নুরুজ্জামান ও মো. জনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মারপিটের শিকার আবুল কাশেম গোলবার স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রটি বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে তার পুত্র সান ঈশ্বরদী থানার ওসির কাছে পৌঁছে দেন। তাৎক্ষণিক অভিযোগপত্রটি আমলে না নিলেও শুক্রবার (৮ মে) তিনি সেটি গ্রহণ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী পৌর মার্কেটের সামনে সবজি বাজারে আলমগীর হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মী আবুল কাশেম গোলবারকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় গোলবারকে রক্ষা করতে হাবিবুর রহমান হাবিব (৬০) এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। তাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঈশ্বরদী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইছাহাক মালিথা জানান, গোলবার একজন দক্ষ ও বিচক্ষণ আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে রাজনীতি করে আসছেন। হাটে চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে এভাবে মারধর মেনে নেওয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে দলে শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না।
ঈশ্বরদী পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল বলেন, 'মারপিট করার ঘটনাটি নিন্দনীয়। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’ তবে হামলাকারীরা কেউ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি।
ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী বলেন, 'আওয়ামী লীগ নেতাকে মরধরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।'








