রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু ‘শান্ত বাবু’। এমনটাই দাবি করেছেন খামারি ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। সাদা-কালো রঙের ষাঁড়টির শান্ত স্বাভাবের জন্যই মালিক এই নাম দিয়েছেন। আগামী ঈদে বিক্রির জন্য ‘শান্ত বাবু’র দাম ধরা হয়েছে ১২ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা এলাকার আলিমুদ্দিনের বাড়ির খামারে গিয়ে জানা গেলো, দুই বছর চার মাস ধরে সেখানে আছে ‘শান্ত বাবু’। ষাঁড়টির ওজন এখন প্রায় ২৫ মণ।
খামারি আলিমুদ্দিনের দাবি, ‘শান্ত বাবু’কে মোটাতাজাকরণে কোনও ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়েই তাকে বড় করা হয়েছে। শান্ত বাবুর খাদ্য তালিকায় প্রত্যেক দিন থাকে ১২ থেকে ১৪ কেজি সবুজ ঘাস, খড়, গাছের পাতা, ভুট্টা ভাঙা, বিভিন্ন ভুসি, সরিষার খৈল, ধানের কুড়া, পাকা বিভিন্ন ফল ও লবণ। এসব উপাদান দিয়ে বানানো বিশেষ খাবার খাওয়ানো হয় ষাঁড়টিকে। তার পিছনে দৈনিক খরচ অন্তত ৮০০ টাকা।
পুঠিয়া উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘শান্ত বাবু নামের এই গরুটি ফ্রিজিয়ান জাতের। সম্পূর্ণ দেশি খাবার খাইয়ে একে মোটাতাজা করা হয়েছে। এই জাতের গরু অনেক আগে থেকেই আমাদের খামারিরা পালন করে আসছেন। আমার জানা মতে, পুঠিয়া উপজেলার সবথেকে বড় গরু এটি।’
রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. অন্তিম কুমার সরকার জানান, জেলায় পর্যাপ্ত গবাদিপশু রয়েছে। রাজশাহী জেলায় কোরবানির ঈদে দুই লাখ গবাদিপশুর প্রয়োজন পড়ে। এখন রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোরবানির জন্য উপযুক্ত পশু। বড় খামারিদের অনলাইনে পশু বিক্রির পরামর্শ দিয়েছি। এতে হাটের ওপরে চাপ কমলে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি কমবে।








