বগুড়ায় বিএসটিআই-এর অনুমোদনহীন সেমাই ও চানাচুর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই সময় চার কর্মচারীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কারাখানা দুটি সিলগালা এবং ৯ লাখ টাকার কাঁচামাল ধ্বংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়ার কাহালুতে এই ঘটনা ঘটে। বিএসটিআই-এর পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন মালামাল তৈরি এবং বাজারজাত করার খবর পায়।
কাহালু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে র্যাব ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মুরইল এলাকায়মুরসালিন ফুড প্রোডাক্টসে অভিযান চালান। কারখানায় বিএসটিআই-এর অনুমোদন ছাড়াই লোগো সম্বলিত চানাচুর, জুস, আইস ললিসহ বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজ্জাদ হোসেন পালিয়ে গেলে ম্যানেজার রিতা আকতার, কর্মচারী কাউসার হোসেন, আবদুল ওয়াহাব ও খায়রুল ইসলামকে আটক করা হয়। আদালত তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাস করে জেল দেয়। তারা জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পান। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।
পরে আদালত কাহালুর পৌরপার্ক এলাকায় অনুমোদনহীন আরিফ লাচ্ছা সেমাই কারখানায় অভিযান চালায়। আদালত মালিক আরিফুল হককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া কারখানা সিলগালা করে দেন।
অভিযানে এনএসআই-এর কর্মকর্তা, বিএসটিআই-এর পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ, জুলফিকার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








