শীতকালীন ছুটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।রবিবার প্রায় ছয় ঘণ্টা উপাচার্যসহ প্রশাসন ভবন অবরুদ্ধ করে আন্দোলন চালায় ছাত্রলীগ।আন্দোলনের মুখে প্রাধ্যক্ষ কাউন্সিল, শিক্ষক সমিতি এবং ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতকালীন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আবাসিক হলগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।
ক্যাম্পাস ও ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, শীতকালীন ছুটিতে হল খোলা রাখতে বেলা ১১টা থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ও প্রধান ফটক অবরুদ্ধ করে রাখে।এ সময় প্রশাসন ভবনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ মিজানউদ্দিন,প্রক্টর প্রফেসর তারিকুল হাসান,ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ছাদেকুল আরেফিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে প্রাধ্যক্ষ কাউন্সিল,শিক্ষক সমিতি এবং ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আলোচনা শেষে শীতকালীন ছুটিতে হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এসময় প্রাধ্যক্ষ কাউন্সিলের আহ্বায়ক শিউলি শামিম শান্তা বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও শীতকালীন ছুটিতে হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং ৮ জানুয়ারি ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বছরের অন্য ছুটিগুলোতেও হল খোলা রাখা হবে কিনা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে রাবি উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অন্য ছুটিগুলোর বিষয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, উপাচার্য, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং প্রাধ্যক্ষ কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করে আমাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আর অন্য ছুটিগুলোতে হল বন্ধ করার কোনও সুযোগ তাদের দেওয়া হবে না।
/এআর/টিএন/আপ-এআর/








