বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত জন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের দাবি এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। সর্বশেষ সুমন রবি দাসের চাচা রামনাথ রবি দাস মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে জুলফিকার রহমান ফকুসহ আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তারা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানানো হচ্ছে।
এদিকে যে দুটি হোমিও হল থেকে মদ কিনে খাওয়ায় এই মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে সেই দুটি প্রতিষ্ঠান ফুলবাড়িয়া এলাকার পারুল হোমিও হল, পুরান বগুড়া এলাকার খান হোমিও হলে এখন তালা ঝুলছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, হোমিও প্রতিষ্ঠান দুটির সংশ্লিষ্টদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তবে এখন সবাই পলাতক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিষাক্ত মদপানের ঘটনায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনায় কোনও মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।
মৃতদের মধ্যে আরও রয়েছে বগুড়া শহরের পুরান বগুড়া এলাকার প্রেমনাথ রবিদাসের ছেলে সুমন রবিদাস (৩৮), কাটনারপাড়া টোকাপট্টির কুলি শ্রমিক সাজু মিয়া (৫৫) ও ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ার আবদুল জলিলের ছেলে পলাশের (৩৫) মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পুরান বগুড়া এলাকার বাবুর্চি মোজাহার আলী (৬৫), লোকমানের ছেলে রাজমিস্ত্রি রমজান আলী (৪০) ও নিশিন্দারা ধমকপাড়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৫০) হৃদরোগী সন্দেহে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করতে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিয়ে উপলক্ষে শখের বসে রবিবার রাতে কয়েকজন বিষাক্ত মদপান করেন। রাতেই অসুস্থ হয়ে সুমন রবিদাস, সাজু মিয়া, মোজাহার আলী, রমজান আলী ও আলমগীর হোসেন মারা যান। এছাড়া সোমবার বিকাল ৩টার দিকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে পলাশের মৃত্যু হয়।









