বগুড়ায় এক প্যারামেডিক্স চিকিৎসককে বিয়ের কথা বলে ধর্ষণ ও সন্তানের চিকিৎসার নামে সাড়ে সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা মেহেদী হাসান কাফি (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন।
শনিবার (২২ মে) সকালে বগুড়া শহরের মালতিনগর হাইস্কুল সড়কের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পিবিআই বগুড়ার ইন্সপেক্টর জাহিদ হাসান ও এজাহার সূত্র জানায়, ভিকটিম একজন প্যারামেডিক্স চিকিৎসক। শহরের তিনমাথা এলাকার ফার্মেসিতে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। পরিচয়ের সুবাদে বগুড়া শহরের মালতিনগর হাইস্কুল সড়কের আবদুল করিমের ছেলে মেহেদী হাসান কাফির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিয়ের কথা বলে তিনি ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকেন। এছাড়া কাফি তার ছোট ছেলে আলভী হাসানের চিকিৎসার নামে নেওয়া সাড়ে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বাড়িতে যাতায়াতকালে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক মেলামেশা করেন। এছাড়াও কক্সবাজার, রাজশাহী, গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্ট ও হোটেলে নিয়ে শারীরিক মেলামেশা করেছেন।
এ ব্যাপারে তিনি (ভিকটিম) প্রথমে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কাফির বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিচারক সদর থানার ওসিকে এজাহারটি গ্রহণ করে পিপিআইকে তদন্ত করতে দেওয়ার নির্দেশ দেন। মামলাটি পাবার পর পিবিআই সদস্যরা শনিবার সকালে আসামিকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি কাফি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিলেও আদালতে হাজির করা হলে দেননি।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুজ্জামান মনি জানান, স্বীকারোক্তি না দেওয়ায় তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। রবিবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।









